রাজনীতি

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে তালা ঝুলল তৃণমূল কার্যালয়ে, চিন্তিত তৃণমূল সুপ্রিমো

ভাঙড় ২ ব্লকের ওয়ারি গ্রামের একটি তৃনমূল কার্যালয় বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে। ওয়ারি সংলগ্ন এলাকায় দলের কোন গোষ্টীর দাপট  থাকবে তা নিয়েই বিরোধ, উত্তেজনা বলে দাবি স্থানীয়দের। ওই এলাকায় সিন্ডিকেট সহ বিভিন্ন ইস্যুতে কাদের দখলদারি থাকবে তা নিয়েই মূলত বিরোধ এলাকা থেকে নির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তাক আহমেদ ও ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরাবুল ইসলামের মধ্যে।

অভিযোগ, ভোজেরহাট রোডের একটি দোকানঘরে কিছুদিন আগে দলীয় পতাকা, মুখ্যমন্ত্রীর ছবি লাগিয়ে দলীয় কার্যালয়ের চেহারা দিয়েছিলেন তৃনমূল নেতা জুলফিক্কর মোল্লা ও মোস্তাক আহমেদ। তাঁদের অনুগামীরাই সেখানে ওঠাবসা করতেন। এদিন সকালে সেই কার্যালয়েই আরাবুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা তালা লাগায়।

রবিবার সকালে বেওতা ১ অঞ্চলের তৃণমূল নেতা আবু সুফিয়ান ও বেওতা ২ অঞ্চলের নেতা আবু সিদ্দিক মোল্লা বলেন, “এলাকায় একটিই দলীয় কার্যালয় থাকবে”। এরপরেই এদিন সকালে সেই কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন আরাবুল ঘনিষ্ট এই দুই তৃণমূল নেতা।

ওই বুথের তৃনমূল সভাপতিমুন্নাফ মোল্লা সরাসরি আরাবুলঅনুগামীদের দিকে অভিযোগেরআঙুল তুলে বলেন, “দলের ব্লকসভাপতি ওহিদুল ইসলাম এর হাতধরে আমরা এই দলীয় কার্যালয়খুলেছিলাম, দলনেত্রী মমতাবন্দ্যোপাধ্যায় এর ছবি সহ ব্যানারওরা খুলে ফেলে দিয়েছেপার্টি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। আমরা ওদের বিরুদ্ধেথানায় অভিযোগ দায়ের করেছি”।

তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকারকরে নিয়েছেন অভিযুক্ত পঞ্চায়েতপ্রধানের স্বামী তথা আরাবুলঅনুগামী আবু সিদ্দিক মোল্লা। তারদাবি, “বুথে একটাই দলীয় কার্যালয়থাকবে ওই পার্টি অফিস নিয়েলেদার কমপ্লেক্স থানায় বড় বাবু ওআরাবুল ইসলাম কে নিয়ে মিটিংহয়েছে। সেই মিটিং এর সিদ্ধার্ন্ত মত আমরা ওখানে তালা বন্ধ করে দিয়েছি যাতে দলের নামে কোন তোলাবাজি, অশান্তি, বহিরাগতদের দাপট চলতে না পারে”।

এ বিষয়ে আরাবুল বলেন, “ওটা কোন দলীয় কার্যালয় নয়। দলকে জানিয়ে ওটা হয়নি। যার দোকানঘর ছিল তিনিই বন্ধ করে দিয়েছেন”। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে লেদার কমপ্লেক্স থানার পুলিশ।

Facebook Comments
667 Shares

Related Articles

Open

Close