বিজেপি

অনুব্রতের এলাকায় গিয়ে অনুব্রতকে কড়া ভাষায় হুমকি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

অনুব্রতর দুর্গে দাঁড়িয়ে নজিরবিহীন ভাষায় তৃণমূলকে হুমকি দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে গোষ্ঠী দ্বন্দ,খুন , দুর্নীতি ও লুটপাটের অভিযোগ আনেন তিনি। বলেন, বখরা নিয়ে তৃণমূল নিজেরা নিজেরা মারামারি করে মরছে , আর কলকাতায় বসে তাদের নেতারা বলছে বিজেপি মেরেছে। বিজেপি সত্যি যেদিন মারতে শুরু করবে সেদিন মাঠ ফাঁকা হয়ে যাবে বলে হুমকি দেন বিজেপি নেতা।

তিনি বলেন যারা মারা যাচ্ছে তাদের পরিবারের লোক এমনকি স্থানীয় তৃণমূল নেতারাও বলছে দলের ভিন্ন গোষ্ঠীর হাতেই খুন হয়েছে তাদের দলের লোক অথচ কলকাতায় বসে তাদের বড় নেতারা দোষ চাপাচ্ছে বিজেপির ঘাড়ে। আমরা মারলে গোপনে লুকিয়ে মারি না।

এখানেই পঞ্চায়েত ভোটে আমাদের মনোয়নয়ন জমা দিতে আটকেছিল তৃণমূল, হাজার লোক জড়ো হয়ে পাল্টা মার দিয়েছিল। আজ রামপুরহাটে সভার আয়োজন করেছিল বিজেপি। এখান থেকেই রথের যাত্রারম্ভ হবার কথা ছিল কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চ রথযাত্রা নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের অনুমতির ওপর স্থগিতাদেশ দেবার পর রথযাত্রা বাতিল করে শুধু সভা করার সিদ্ধান্ত নেয় বিজেপি। সেই সভা থেকেই পুলিশ ও তৃণমূলকে একহাত নেন দিলীপ ঘোষ।

তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বলেন, রাজ্য জুড়ে কয়লা খাদান, বালি খাদান , পাথর খাদান লুট হচ্ছে। সেই টাকা কাদের পকেটে যাচ্ছে তা সবাই জানে।

তৃণমূল নেতাদের বাড়ি গাড়ি হচ্ছে । খাদানের লুটপাটের সঙ্গে যে তৃণমূলের নেতারাই জড়িত তা জানে না এমন কেউ নেই। জায়গায় জায়গায় তৃণমূল দুটো করে পার্টি অফিস বানিয়ে রেখেছে যাতে ভাগ বাটোয়ারার সুবিধা হয়। আর তৃণমূলের নেতারা বলছে , লুঠ খুনখারাপি সবই করছে বাইরের লোক এসে, সব নাকি আসছে ঝাড়খন্ড থেকে। এরপরই বিজেপি রাজ্য সভাপতি প্রশ্ন তোলেন , তাহলে এই রাজ্যের পুলিশ কি করছে? তারা কি নেশা করে ঘুমোচ্ছে?

Facebook Comments

Related Articles

Close